বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ইকোনো বাসের সুপার ভাইজার নুর আলমের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছে তিন সন্তানের জননী প্রবাসী আবদুল কুদ্দুছের স্ত্রী তানজিনা জাহান (৪০)। পরে সেই পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে কক্সবাজার গিয়ে বিভিন্ন হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ভাড়া থাকেন তানজিনা।

ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গনিপুর এলাকায়। বড় ছেলেকে রেখে ছোট দুই সন্তান নিয়ে মালেশিয়া প্রবাসী কুদ্দুছের স্ত্রী তার স্বামীর প্রবাস জীবনের উপার্জিত টাকা ও স্বর্নঅলংকার নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যায়। পালিয়ে তারা গত ২ই ডিসেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর২০২১ কক্সবাজার বিভিন্ন হোটেলে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থান করে।

 

প্রবাসী আবদুল কুদ্দুছ জানায়, ২৮ ডিসেম্বর ২০০৫ এ হবিগঞ্জ জিলার চুনারুঘাট থানার শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের খড়গাঁও গ্রামের আবদুস সহিদের মেয়ে তানজিনা জাহান এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর আমাদের সংসার ভালো চলছিলো এবং ১৭বছর সংসার জীবনে আমাদের দুইটি পুত্র সন্তান ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে জীবিকার তাগিদে ১৯ মে ২০১৯ সালে আমি মালেশিয়া পাড়ি দিই। ২০১৯ সাল পর্যন্ত আমাদের স্বামী স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক গভীর ছিলো। স্ত্রীর কোন অভিযোগ ছিলো না। কিন্তু তানজিনা জাহান অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কারণে মোবাইলে আমার সাথে প্রায় সময় খারাপ আচরণ করতো। গোপনে জানতে পারি আমার স্ত্রী ছোট মেয়ে ও ছোট ছেলেকে নিয়ে ইকোনো বাসের সুপার ভাইজার নুর আলমের সাথে কক্সবাজার পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন হোটেলে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে রাত্রী যাপন করে। পরে ১৮ জানুয়ারী২০২২ আমি কাহাকেও কিছু না জানাইয়া মালেশিয়া থেকে বাড়ী আসি এবং আমার দেওয়া স্ত্রীর মোবাইলে কক্সবাজার অবস্থান কালীন ইকোনো বাসের সুপার ভাইজার নুর আলমসহ আরো কয়েক জনের সাথে আপত্তি কর অনেক গুলো ছবি দেখতে পেয়ে মোবাইলটি আটকে রাখি। পরে আমাকে না জানাইয়া নগদ টাকা ও স্বর্নঅলংকারসহ ছোট দুই সন্তানকে নিয়ে ৩০ জানুয়ারী ২০২২ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

কুদ্দুছ আরো জানান, আমি আমার স্ত্রীর কোনো অভাব রাখেননি। মালেশিয়া থাকা কালিন প্রতিমাসের উপার্জিত সমস্ত টাকা স্ত্রী তানজিনা জাহানের কাছে পাঠাই। আর সে টাকা দিয়ে ইকোনো বাসের সুপার ভাইজার নুর আলমসহ অন্যান্য পুরুষকে নিয়ে ফুর্তি করতো। প্রবাস জীবনে কষ্ট করে উপার্জনের সমস্ত টাকা নিয়ে সে আমাকে নিঃস্ব করে গেছে। আমি এর বিচার চাই। আমার টাকা পয়সা ও ছেলে-মেয়েকে ফেরৎ চাই। আমি লোক মারফত শুনেছি তারা দু’জনে বিয়েনা করে অবৈধ ভাবে বাসাবাড়া করে বসবাস করতেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.