নীলফামারী জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজ, ডিমলা উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আবু সায়েম, ডিমলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাজাহারুল ইসলাম লিটন ও ডোমার উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নীলফামারী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ আমলী আদালত ৬ (ডিমলা) এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদী হাসান উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ডিমলা ও ডোমার থানায় এর আদেশ প্রেরন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে উক্ত মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী হারেজ মুর্তুজা বাবুল।

এই মামলার অপর আসামীরা হলো ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী গ্রামের নুরন্নবী, একই এলাকার বায়োজিত হোসেন জুয়েল, ডিমলা উপজেলার রূপাহারা গ্রামের ইদ্রিস আলী, নাউতারা গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিক, এনামুল হক, সুন্দরখাতা গ্রামের হামিদুল ইসলাম, প্রধানপাড়া গ্রামের হেমন্ত কুমার সিল, সর্দারহাট গ্রামের হালিমুর রহমান ও দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামের শ্রীরাম চন্দ্র।

মামলার সুত্র মতে, চলতি বছরের ৬ মার্চ দুপুরে ডিমলা উপজেলার নাউতারা সোনামনিরডাঙ্গা গ্রামের এ্যাডঃ মোঃ মামুনুর রশীদ পাটোয়ারীর কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদাদাবি এবং বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মারডাং ভাংচুর করা হয়। ওই ঘটনায় এ্যাডঃ মামুনুর রশীদ পাটোয়ারী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত মামলার ১৩ আসামীর বিরুদ্ধে সমন জারী করেছিল। কিন্তু আসামীরা উক্ত সমনে সারা না দিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজিরা দেননি। ফলে আদালত ১৩ আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

এ ব্যাপারে কথা বলা হলে নীলফামারী জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ডিমলা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফেরদৌস পারভেজসহ অন্যান্য সকল আসামীরা জানান, মামলাটি পুরো সাজানো ও মিথ্যা। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য রংপুর পিবিআইকে ন্যাস্ত করেছিল। পিবিআই ঘটনাটি তদন্ত করে আদালতে মামলাটি সঠিক নয় বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে ওই মামলা সর্ম্পকে আমরা আর কিছু অবগত ছিলাম না। এমন কি আদালত থেকে সমনও আমরা হাতে পাইনি। ফলে আমরা আদালতে হাজিরা দিতে পারিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.